প্রথমপাতা শিক্ষাঙ্গন জাবির ৩ বিভাগে প্রভাষক নিয়োগের কার্যক্রম ৬ মাসের জন্য স্থগিত

জাবির ৩ বিভাগে প্রভাষক নিয়োগের কার্যক্রম ৬ মাসের জন্য স্থগিত

35
0

জাবি প্রতিনিধি: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) তিনটি বিভাগে প্রভাষক নিয়োগ কার্যক্রম ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছে হাইকোর্ট। বিভাগ তিনটি হলো প্রত্নতত্ত্ব, চারুকলা এবং সরকার ও রাজনীতি বিভাগ ।

একইসঙ্গে ৮ নভেম্বর ২০১৮ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে ২টি, সরকার ও রাজনীতি বিভাগে ২টি এবং চারুকলা বিভাগে ১টি করে পদে প্রভাষক নিয়োগের সার্কুলার জারির কার্যক্রমও স্থগিত করেছে আদালত।
এছাড়া জাবির জারি করা ৮ নভেম্বর ২০১৮ এর ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েও রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরি কমিশনের চেয়ারম্যান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রেজিস্ট্রার এবং সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সভাপতিকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বুধবার (২ জানুয়ারি) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ এবং বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ নভেম্বর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে দুটি, সরকার ও রাজনীতি বিভাগে দুটি এবং চারুকলা বিভাগে একটি করে পদে প্রভাষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। উক্ত বিজ্ঞপ্তিতে এসএসসি ও এইচএসসি উভয়ক্ষেত্রে সনাতন পদ্ধতিতে প্রথম বিভাগ ও গ্রেডিং পদ্ধতিতে বিজ্ঞান ও বাণিজ্য শাখায় জিপিএ ৪.২৫ এবং মানবিক শাখায় জিপিএ ৪.০০ থাকতে হবে বলে উল্লেখ করা হয়।
কিন্তু ২০১০ সালের ২ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে জিপিএ ৩.০০ বা তদূর্ধ্ব-কে সনাতন পদ্ধতির প্রথম বিভাগ উল্লেখ করে সামঞ্জস্য বিধান করা হয়। কিন্তু মন্ত্রণালয়ের সেই প্রজ্ঞাপন না মেনে জাবি কর্তৃপক্ষ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে, যা বেআইনি বলে রিটে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে, ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্যতা প্রমাণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবং অনার্স ও মাস্টার্সে ভালো ফল থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র এসএসসি ও এইচএসসিতে উল্লেখিত পরিমাণ জিপিএ না থাকার কারণে অনেকেই জাবির এই তিনটি বিভাগে প্রভাষক পদে আবেদনের সুযোগই পাননি। তাই সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সাবেক ছাত্র গাজী ইব্রাহিম আল মামুন ও মো. শহিদুল ইসলাম ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে সংক্ষুব্ধ হয়ে রিট দায়ের করেন।

আপনার অভিমত/মন্তব্য জানাতে পারেন

অনুগ্রহ করে আপনার মন্তব্যটি লিখুন
অনুগ্রহ করে এখানে আপনার নাম লিখুন